জলবায়ু প্রকৌশল নীতিতে নৈতিকতা বজায় রাখার ৭টি গুরুত্বপূর্ণ দিক 알아보자

webmaster

기후 엔지니어링의 정책적 접근과 윤리 - A detailed illustration of climate engineering technology in action: show a futuristic scientific fa...

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলেছে, যার ফলে কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ বা climate engineering নিয়ে আলোচনা তীব্র হচ্ছে। তবে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পেছনে যে নীতিগত ও নৈতিক প্রশ্নগুলো জড়িত, সেগুলোকে অবহেলা করা যায় না। পরিবেশ ও সমাজের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট নীতিমালা থাকা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি সঠিক নিয়ন্ত্রণ এবং নৈতিক দিকনির্দেশনা থাকা জরুরি। এই বিষয়গুলো নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। চলুন, বিস্তারিতভাবে climate engineering-এর নীতিগত ও নৈতিক দিকগুলো ঠিক কীভাবে কাজ করে তা আজকের আলোচনায় খতিয়ে দেখি। নিচের অংশে বিস্তারিত জানার সুযোগ পাবেন!

기후 엔지니어링의 정책적 접근과 윤리 관련 이미지 1

পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবের জটিলতা

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রযুক্তির ভূমিকা

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ধরণের পরিবেশগত ঝুঁকি বেড়ে চলেছে, তার মোকাবিলায় climate engineering-এ অনেকের আশা। তবে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার সময় পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের সম্ভাবনাও অস্বীকার করা যায় না। যেমন, বায়ুমণ্ডলে রাসায়নিক পদার্থ ছড়ানোর মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে, স্থানীয় জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি ফসল উৎপাদনেও প্রভাব পড়তে পারে। অনেক সময় এই পরিবর্তনগুলোর প্রভাব সম্পূর্ণভাবে পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবেশগত সমস্যা তৈরি করতে পারে। ফলে, প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি।

সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্নাবলী

Climate engineering-এর মাধ্যমে প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি নানা সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। কারা এই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করবে?

কোন দেশের অধিকার থাকবে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের? এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর এই প্রযুক্তির প্রভাব কতটা পড়বে, এবং তাদের সম্মতি ছাড়া বড় ধরনের পরিবর্তন করা কতটুকু ন্যায়সঙ্গত, তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক আছে। এছাড়া, প্রযুক্তির অপব্যবহার বা রাজনৈতিক স্বার্থে এর ব্যবহার সমাজে বৈষম্য বাড়িয়ে দিতে পারে।

Advertisement

দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা

Climate engineering-এর সাফল্য নির্ভর করবে দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। একবার প্রযুক্তি প্রয়োগ শুরু হলে এর প্রভাব কয়েক দশক বা শতাব্দী পর্যন্ত থাকতে পারে, তাই প্রতিটি ধাপের সঠিক মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক। নিয়মিত গবেষণা ও ডাটা সংগ্রহের মাধ্যমে প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব বুঝে নেওয়া সম্ভব, যা ভবিষ্যতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত নীতিমালা থাকা জরুরি, যাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকানো যায়।

বৈশ্বিক সহযোগিতা ও নীতিমালা প্রণয়ন

Advertisement

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব

Climate engineering-এর মতো প্রযুক্তি একক দেশের সীমাবদ্ধতার বাইরে কাজ করে। তাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও নাগরিক সমাজকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন, যা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করবে। বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনের জন্য এমন সহযোগিতা অপরিহার্য। একই সঙ্গে, প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়িয়ে নিতে হবে যাতে সকলের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান তৈরি হয়।

নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মৌলিক উপাদান

কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে তোলার জন্য কিছু মৌলিক নীতিমালা থাকা আবশ্যক। প্রথমত, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারের পূর্বে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে জনমত সংগ্রহ ও পর্যালোচনা জরুরি। দ্বিতীয়ত, সম্ভাব্য ঝুঁকি ও প্রভাবের ব্যাপক মূল্যায়ন করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রণয়ন অপরিহার্য। এসব উপাদান একসঙ্গে কাজ করলে climate engineering-এর নৈতিক ও নীতিগত সীমাবদ্ধতা ঠিকঠাক বজায় রাখা সম্ভব হবে।

প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব

প্রতিটি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে climate engineering-এর সুষ্ঠু ব্যবহারের দায়িত্ব রয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থের বাইরেও চিন্তা করতে হবে, কারণ এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী হতে পারে। সুতরাং, আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের মতো সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, যারা নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমন্বয় সাধন করবে।

পরিবেশগত ঝুঁকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা

Advertisement

প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ওপর প্রভাব

Climate engineering-এর মাধ্যমে পরিবেশে হস্তক্ষেপ করলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ভাঙার সম্ভাবনা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, বায়ুমণ্ডলে রিফ্লেকটিভ পার্টিকল ছড়ানো হলে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হলেও, স্থানীয় বৃষ্টিপাতের চক্রে পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে কৃষি, জৈববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই, প্রযুক্তি প্রয়োগের আগে পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে গভীর গবেষণা ও মূল্যায়ন অপরিহার্য।

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল

ঝুঁকি কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কৌশল প্রণয়ন করা প্রয়োজন। যেমন, প্রযুক্তির প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে রিয়েল-টাইম ডাটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা রাখা, বিকল্প প্রযুক্তির বিকাশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এবং ঝুঁকি কমাতে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ। এছাড়া, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি স্থগিত বা পরিবর্তন করার জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকা উচিত। এসব ব্যবস্থা বাস্তবায়নে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রযুক্তির নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের বিশ্বাস

জনসাধারণের মধ্যে climate engineering-এর প্রতি বিশ্বাস গড়ে তোলা কঠিন, কারণ এর ঝুঁকি ও প্রভাব সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায় না। তাই, প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা, তথ্যপ্রদান এবং জনসাধারণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। নিয়মিত তথ্য শেয়ারিং, বিজ্ঞানভিত্তিক পরামর্শ এবং জনমত গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের উদ্বেগ কমানো সম্ভব। এর ফলে, প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতা ও সাফল্য বাড়বে।

নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকার সংরক্ষণ

Advertisement

মানবাধিকার এবং প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা

Climate engineering-এর ব্যবহার কখনোই মানুষের মৌলিক অধিকারকে অবহেলা করতে পারে না। বিশেষ করে, কোনো সম্প্রদায় বা জাতি যদি প্রযুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তাদের অধিকার রক্ষা করাই প্রথমত গুরুত্ব পায়। প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্মতি নেওয়া এবং তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করা অপরিহার্য। নৈতিক দিক থেকে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণে কাজ করুক, ক্ষতির কারণ নয়।

নৈতিক দায়িত্ব ও প্রযুক্তি পরিচালনা

প্রযুক্তি পরিচালনায় সংশ্লিষ্টদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করা উচিত। প্রযুক্তি উন্নয়ন ও ব্যবহার করার সময় স্বচ্ছতা বজায় রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করা প্রয়োজন। নৈতিক নীতিমালা প্রতিষ্ঠা করে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব। এর ফলে, climate engineering শুধু একটি প্রযুক্তিগত নয়, বরং মানবিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হবে।

সামাজিক ন্যায়বিচার ও প্রযুক্তির প্রভাব

Climate engineering-এর প্রভাব সমাজের বিভিন্ন স্তরে ভিন্নভাবে পড়তে পারে। উন্নত দেশগুলো সুবিধা নিতে পারে, কিন্তু দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো তার থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তাই সামাজিক ন্যায়বিচার রক্ষা করতে প্রযুক্তির ব্যবহার এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে বৈষম্য সৃষ্টি না হয়। প্রযুক্তির সুবিধা সকলের জন্য সমানভাবে পৌঁছানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব।

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও গবেষণায় জবাবদিহিতা

Advertisement

গবেষণার স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতা

Climate engineering-এর গবেষণা যতই উন্নত হোক না কেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। গবেষণার তথ্য ও ফলাফল জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত, যাতে সবাই প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারে। দায়িত্বশীল গবেষণা মানে শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত নয়, সামাজিক ও নৈতিক প্রভাবও বিবেচনা করা। গবেষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত নিজেদের কাজের জন্য জবাবদিহি থাকা।

উন্নয়ন পর্যায়ে ঝুঁকি মূল্যায়ন

기후 엔지니어링의 정책적 접근과 윤리 관련 이미지 2
প্রতিটি উন্নয়ন পর্যায়েই ঝুঁকি মূল্যায়ন করা আবশ্যক। প্রযুক্তি বাজারে আনার আগে সেটির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবের ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। তা না হলে অপ্রত্যাশিত সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ঝুঁকি মূল্যায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা প্রযুক্তির প্রতিটি ধাপে প্রয়োগ করতে হবে।

অন্তর্দৃষ্টি ও শিক্ষার গুরুত্ব

Climate engineering-এ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা অপরিহার্য। প্রযুক্তির জটিলতা এবং নৈতিক দায়িত্ব বোঝাতে এ ধরনের শিক্ষা প্রয়োজন। পাশাপাশি, জনসাধারণকেও সচেতন করতে হবে যাতে তারা প্রযুক্তির বিষয়ে সঠিক ধারণা পায় এবং অংশগ্রহণ করতে পারে। অভিজ্ঞতা শেয়ারিং এবং অন্তর্দৃষ্টি বৃদ্ধি প্রযুক্তির উন্নয়নে নতুন দিক উন্মোচনে সাহায্য করবে।

Climate Engineering-এর সম্ভাবনা এবং সীমাবদ্ধতা তুলনামূলক বিশ্লেষণ

দিক সম্ভাবনা সীমাবদ্ধতা
পরিবেশগত প্রভাব তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে পারে অপ্রত্যাশিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, স্থানীয় জলবায়ু পরিবর্তন
সামাজিক প্রভাব বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ন্যায়বিচারহীনতা, সম্প্রদায়ের অধিকার লঙ্ঘন
নৈতিক দিক মানব কল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার, সচেতনতা বৃদ্ধি অপব্যবহার, স্বার্থপর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঝুঁকি
নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নীতিমালা অভাব, নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা
গবেষণা ও উন্নয়ন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন, ঝুঁকি কমানোর কৌশল পর্যাপ্ত ডাটা অভাব, ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের সীমাবদ্ধতা
Advertisement

글을 마치며

Climate engineering-এর ব্যবহার পরিবেশ ও সমাজের জন্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে, তবে এর সাথে বেশ কিছু জটিলতা ও ঝুঁকিও জড়িত। প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এর সুফল গ্রহণ করা কঠিন। তাই দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ, নৈতিক দায়িত্ব এবং স্বচ্ছ নীতিমালা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমরা সবাই মিলেমিশে এই প্রযুক্তির ভবিষ্যত নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারি।

Advertisement

알아두면 쓸모 있는 정보

1. Climate engineering প্রযুক্তি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে সহায়ক হলেও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

2. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করে।

3. প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার সম্পর্কিত গবেষণায় স্বচ্ছতা ও জনসাধারণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

4. সামাজিক ন্যায়বিচার রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

5. ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রযুক্তির সফলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Advertisement

পরিবেশ ও সমাজের জন্য Climate Engineering-এর মূল দিকগুলো

Climate engineering-এর প্রযুক্তি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অনেক সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে, তবে এর ব্যবহার নিয়ে পরিবেশগত, সামাজিক ও নৈতিক অনেক জটিলতা রয়েছে। সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এর অপব্যবহার হতে পারে যা বিশ্বব্যাপী সমস্যার সৃষ্টি করবে। দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আমরা এই প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে এর সুফল বাড়াতে পারি। তাই, প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖

প্র: Climate engineering কী এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?

উ: Climate engineering হলো এমন একটি প্রযুক্তি বা পদ্ধতি যা পরিবেশে কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নের মাত্রা কমানো, যেমন বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড কমানো বা সূর্যালোক নির্দিষ্টভাবে প্রতিফলিত করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। তবে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি।

প্র: Climate engineering ব্যবহারের নৈতিক সমস্যা গুলো কী কী?

উ: Climate engineering ব্যবহারে অনেক নৈতিক প্রশ্ন জড়িত থাকে। যেমন, কার অনুমতি নিয়ে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে? এর ফলে পরিবেশের যে পরিবর্তন আসবে, তার জন্য কে দায়ী থাকবে?
এছাড়া, কিছু প্রযুক্তি এমনভাবে পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে যা স্থানীয় জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে সৃষ্ট অসুবিধা ও ক্ষতির ন্যায্যতা নিয়ে স্পষ্ট নীতিমালা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্র: এই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ ও নীতিগত দিকনির্দেশনা কিভাবে নিশ্চিত করা যায়?

উ: Climate engineering-এর সঠিক নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী নিয়মাবলী ও নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, এবং নীতিনির্ধারকদের নিয়ে গঠিত একটি পরামর্শদাতা কমিটি নিয়মিত প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করে এবং তার ওপর ভিত্তি করে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এছাড়া জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়ানো এবং মতামত গ্রহণ করাও অপরিহার্য, যাতে প্রযুক্তির ব্যবহার সবার জন্য নিরাপদ ও ন্যায়সঙ্গত হয়।

📚 তথ্যসূত্র


➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ

➤ Link

– গুগল সার্চ

➤ Link

– Bing বাংলাদেশ
Advertisement